চরিত্রহীন ও ছলনাময়ী নারী চেনার দারুন কার্যকরী টোটকা, এদের দেখলেই বুঝবেন এরা ছলনাময়ী ও চরিত্রহীন! (ধর্ষণ খুন)

মেয়ে’দের সব থেকে বড় সম্পদ হল তাদের সম্মান। কোন মেয়ে যদি দেখতে খা’রাপ হয় তাতে তার সংসারের কোন ক্ষ’তি হয় না,

কিন্তু যদি তার চ’রিত্র খারাপ হয় তাহলে তার সংসার ধর্ম সব শেষ হয়ে যায়। তার সাথে সাথে সেই মেয়েকে যে বিয়ে করেছে তার জীবনও শেষ হয়ে যায়। তাই বিয়ের আগেই মেয়ের চ’রিত্র জেনে বিয়ে করা উচিত।

কিন্তু একটা মেয়েকে বাইরে থেকে দেখে চিনবেন কি উপায়ে ? তাই আপনাকে মেনে চলতে হবে কিছু কথা। ভালো ভদ্র মেয়েরা সমাজের জন্য ও তার পরিবারের জন্য গর্বের কারন হতে পারে, আবার কোন খা’রাপ মে’য়ে হতে পারে দূর্ভাগ্যের কারন। আচার্য্য চানক্য বলেছেন কিভাবে সৎ ও অসৎ চ’রিত্রের মেয়ে চেনা যায়।

একাধিক পুর’ষের স’ঙ্গে সম্প’র্ক করা মে’য়েরা কখনই ভালো হয় না। তারা একজনের সঙ্গে’ থাকে আর মনে মনে চিন্তা করে আর এক জনের। এই ধ’রনের মে’য়েরা ছে’লেদের জন্য খুব খারা’প সময় বয়ে আনে। এই ধরনের মেয়েরা চ’রিত্রগত দিক থেকে একদম ভালো হয় না।

এরা প্রকৃত লো’ভি প্রকৃতির হয়ে থাকে। এরা নিজেদের কিছু উদ্দেশ্য সাধনের জন্য ছেলেদের সাথে সম্পর্ক করে। এদের জীবনে বন্ধু বান্ধব ও সঙ্গী অনেক থাকে কিন্তু প্রকৃত বন্ধু কেউই থাকে না। কদিন পর পরেই এদের স’ঙ্গী বদল হয়। আজ একজন তো কাল অন্য আর একজন।

এরা মূলত কোন উদ্দেশ্য নিয়েই কোন ছেলের সাথে মেলা মেশা শুরু করে। আর সেই উদ্দেশ্য সাধন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যত দ্রুত সম্ভব কেটে পরে। তখন আর কাউকে চেনে না। এদের জীবনে ইমোশনের কোন দাম নেই। কারোর ইমোশনের কথা এরা ভাবে না।

এরা সব সময় ভালো পছন্দ বেছে নেয়। তারা ভাবে কার কাছ থেকে তারা বেশি সুবিধা পাবে। এক জনের কাছ থেকে যদি ভালো কিছু না পায় তাহলে তারা অন্য জনের কাছে চলে যায়। এদের চোখের দৃষ্টি খুব নির্ল’জ্জ প্রকৃতির হয়।

এরা ছেলেদে’র দিকে এমন ভাবে তাকায় যেন সে তার ভেতর পর্যন্ত পড়ে নিয়েছে। এরা পু’রুষের জীব’নসঙ্গী’ হিসাবে একদম ভালো হয় না। এরা যখন তখন যে

কারোর প্রেমে পড়ে যায়। এরা অল্পতে খুশি হয় না। এদের চাহিদা দিন দিন বাড়তেই থাকে। নিজের চাহিদা পুরনের জন্য অনেক পুরু’ষের স’ঙ্গে এরা সম্পর্ক রাখে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*